খোলা চিঠি
যাঁরা টাকা নেন, তাঁদের কাছে
আপনি হয়তো ভাবছেন — একটা ফাইল, সামান্য কিছু টাকা। এতে কার কী ক্ষতি হলো।
ক্ষতিটা হয়েছে। যে মানুষটি টাকা দিয়ে গেল, সে হয়তো ধার করে এনেছিল। যে দিতে পারল না, তার কাজটা আটকে রইল। আর যে সত্যিই অপরাধ করেছিল, টাকার জোরে সে ছাড় পেয়ে গেল। আপনি না নিলে সে শাস্তি পেত।
দেশের চাকরিতে ঢোকার দিন আপনি শপথ করেছিলেন। সেই শপথ ভেঙে যে অন্ধকার নামে, তার ভেতরে আপনার নিজের পরিবারও থাকে। আপনার সন্তানও সেই দেশেই বড় হবে।
আমরা আপনার নাম কোথাও প্রকাশ করি না, করবও না। এটা আমাদের নিয়ম, হুমকি নয়। কিন্তু নাম না ছাপলেই কি কেউ জানে না? যে টাকা দিয়ে গেল, সে জানে। পাশের চেয়ারে বসা সহকর্মীটি জানেন। আর একদিন আপনার সন্তান যখন জিজ্ঞেস করবে — বাবা, এই টাকাটা কোথা থেকে এল? — সেদিন আপনি কী বলবেন?
সম্মান জিনিসটা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। কিন্তু টাকা দিয়ে হারানো যায়।
আজ একজনকে ফিরিয়ে দিন। কেউ হয়তো দেখবেই না। কিন্তু আপনি জানবেন। শুরুটা ওখান থেকেই।