- এমন কোনো জেলা নেই। বানান দেখে নিন।
রিপোর্ট
টাকাটা কোথায় গেল?
সারা দেশের হিসাব
যে টাকা চাওয়া হয়েছিল কিন্তু কেউ দেননি, সেটি হার নয় — সেটিই সবচেয়ে ভালো খবর। তাই আলাদা করে দেখানো।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳২০০
- ১টি অভিযোগে
- দিতে হয়েছে
- ৳০
- ০টি অভিযোগে
- রুখে দেওয়া গেছে
- ৳২০০
- ১টি অভিযোগে
- ঝুলে আছে
- ৳০
- ০টি অভিযোগে
দিতে হয়েছে রুখে দেওয়া গেছে ঝুলে আছে
যেসব দাবির ফল জানা গেছে, তার সবগুলোতেই মানুষ টাকা দেননি। না দিলেও কাজ হয় — এটাই বড় কথা।
হিসাবটি সারা দেশের, ২৮/০৯/২০২৬ — ২৮/১০/২০২৬ সময়ের, শুধু প্রকাশিত অভিযোগের। অঙ্ক মানুষ নিজেরাই বলেছেন, আমরা মিলিয়ে দেখিনি।
অফিস ধরে ধরে
যে অফিসে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ, সেটি উপরে। নাম মিলিয়ে দেখে নিন — একই নামের অফিস অন্য জেলাতেও থাকতে পারে।
মানচিত্রে কোথায় বেশি
যত গাঢ় রঙ, তত বেশি অভিযোগ। জেলায় চাপলে সেই জেলার পাতায় চলে যাবেন।
লাল মানে সেখানে দুর্নীতি বেশি — এমনটা নাও হতে পারে। যে জেলায় মানুষ বেশি মুখ খোলে, সে জেলাই গাঢ় দেখায়। ঢাকা প্রায় সবসময় গাঢ় থাকবে, কারণ সেখানে ইন্টারনেট বেশি। সূত্র
উপরের দিকে থাকা মানে সেখানে দুর্নীতি বেশি — এমনটা নাও হতে পারে। যে এলাকায় মানুষ বেশি মুখ খোলে, সে এলাকাই উপরে ওঠে।
-
১
চট্টগ্রাম
১ টি অভিযোগ
↓ ১০টি কম, আগের সমান সময়ের চেয়ে
চট্টগ্রাম বিভাগ · ১টি অফিস · ৳২০০
ঘুষের অঙ্ক কত বড় ছিল?
গড় দেখালে ভুল বোঝা যায় — একজন বড় অঙ্ক লিখলেই গড় লাফিয়ে ওঠে। তাই ভাগ করে দেখানো হলো। হিসাবটি সারা দেশের অঙ্ক লেখা ১টি অভিযোগের।
-
৳৫০০ বা কম — সেবার ফির নামে বাড়তি ১টি · ১০০%
-
৳৫০১ — ৳২,০০০ — কাগজ, সনদ, লাইসেন্স ০টি · ০%
-
৳২,০০১ — ৳১০,০০০ — ফাইল নড়াতে ০টি · ০%
-
৳১০,০০১ — ৳৫০,০০০ — জমি, মামলা, বদলি ০টি · ০%
-
৳৫০,০০০-এর বেশি — বড় দাবি ০টি · ০%
- মাঝখানের অঙ্ক
- ৳২০০
- অর্ধেক অভিযোগ এর নিচে, অর্ধেক উপরে
- সবচেয়ে বড় অঙ্ক
- ৳২০০
- একটিমাত্র অভিযোগের, গড় নয়
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত