আমার বন্ধু রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজে পড়তো তারপরে তার এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে সে নিউ ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। পরবর্তী তার মুখ থেকে জানতে পারলাম সেও এই ব্যবসার সাথে ইনভলভ হয়েছে এবং এটা নিউ ডিগ্রী কলেজের বহু প্রচলিত একটি অভ্যাস। ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা আদায় করে কলেজে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ভর্তি করানো হয়।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতার যোগসাজশে পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। এই অনৈতিক ও ভয়ংকর পরিস্থিতিতে পরিবারটি চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। পুরো ঘটনার বেশ কিছু প্রমাণ অভিযোগকারীর কাছে সংরক্ষিত আছে।
আমার এক ছোট ভাইকে ভর্তি করতে নিয়ে গেলে স্যার বলে ওর তো সার্টিফিকেট নাই। ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়ে আর পড়ে নাই ওকে ক্লাস নাইনে ভর্তি করতে পারব কিন্তু কিছু টাকা লাগবে এইট পাশের সার্টিফিকেট বানিয়ে দেবো এই আনুমানিক ৭ থেকে ১২ হাজার টাকার মতো লাগতে পারে।
আমি অফিসে নামজারী করতে দলিল দেখে কম্পিউটারে বসা লোক বলছেন আর এস দাগ এর দলিল নামজারী হবেনা, পরে তার সাথে ৯০হাজার টাকায় কট্রাক্ট করতে বলে, আবেদন করে ফাইলের পেছনে sm-2, RF, IB যে কোন একটা লিখতে বলছে, আবেদন করেছি টাকা দেইনি বলে ফাইল খারিজ করে দিয়েছে
দলিল এর রিসিট হারিয়ে যাওয়ায় খুজতে গেলে ২ টা বই খুব দ্রুত উল্টিয়ে পাল্টিয়ে বলে নেই আর সার্চ করার জন্য ৩০০ দাবি করেছিলো কিন্তু না পেলেও দিতে হবে বলেনি লাস্টলি কিছু কমে দিয়ে আসছি, আবার যেতে হবে কিন্তু এমাউন্ট কম হলেও আস্তে আস্তে বাজেয়াপ্ত করা হবে বোঝা যাচ্ছে।
জমির খাজনা অনলাইনে করতে গেলে খতিয়ান দেখে বলা হয় আপনার জমি অন্য এলাকার জমির মালিকের সাথে এস্টেটভুক্ত আছে। ওই থানার ভূমি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করেন। এভাবে নানা কথা বলে ঘুরানো হয়। শেষে টাকা দাবি করে সমাধান করে দেয়।
দালাল ছাড়া ফর্ম জমা নেয় না।অনলাইন সার্ভার অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিক দেওয়ার পরেও এলাকার নামের বানানে এটা সেটা ভুলভাল বলে জমা নেয়না।
বাহিরে গার্ডদের জানাইলে তারা বলছে দালাল ধরে আসতে।দালাল জরুরি যোগাযোগের তথ্যই সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে তার নিজের একটা পেইজ এটাচ করে দিয়েছে। এলাকার নামের বানান বা অন্য কিছু পরিবর্তন করেনি,তবুও এই (এখানে গালি ছিলো) সেটা ঠিকই জমা নিয়েছে। আমি ঘুষ দিয়ে কাজ করতে চাইনা,তাদের সকলের উপর আল্লাহর লানত।
শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুর ও ট্রেনিংয়ের জন্য প্রতিবছর সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন খাত থেকে পাঁচটি ডিপার্টমেন্টে ৭০,০০০+ করে মোট ৩,৫০,০০০+ টাকা আসে। কিন্তু এই বরাদ্দের কোনো অংশই শিক্ষার্থীদের পেছনে ব্যয় করা হয় না। এছাড়া ভবন নির্মাণের কাজেও কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো শিক্ষার্থী আওয়াজ তুললে তার প্র্যাকটিক্যাল মার্ক কেটে নেওয়া হয়।
ছোট কৌশল, বড় ব্যবসা: এয়ারপোর্টের ক্যাফেগুলোতে MRP-এর চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায়!
এয়ারপোর্টের ক্যাফেগুলোতে প্রায় সবকিছুর দামই MRP-এর চেয়ে ১০ টাকা বা তারও বেশি বাড়িয়ে নেওয়া হয়। সাধারণ যাত্রীরা প্রয়োজনের তাগিদে এসব খাবার ও পানীয় কিনতে বাধ্য হন, আর সেই সুযোগেই অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে।
যেমন, ২০ টাকা MRP-এর একটি চিপস কিনতে গেলে ৩০ টাকা দিতে হয়। ২০ টাকা মূল্যের পানির বোতলের জন্যও ৩০ টাকা নেওয়া হয়। আবার ১০০ টাকা মূল্যের একটি বার্গার ১৪০ টাকা এবং ১৩০ টাকা মূল্যের বার্গার ১৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়।
দোকানদারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে অনেক সময় সরাসরি বলা হয়, "নিলে নেন, না নিলে চলে যান। এটাই দাম।"
এভাবে যাত্রীদের প্রয়োজন ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। এয়ারপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে খাবার ও পানীয়ের মূল্য নির্ধারণ এবং MRP মেনে চলার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা জরুরি।
যাত্রীরা যেন বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দাম না দেন, সেটাই প্রত্যাশা।
অনলাইন ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল বসানো থাকলে কাউন্টারে ওরা বোঝে এটা 'চ্যানেল ফাইল'। তখন ফাইল এক দিনে যায়। নিজের ইমেইল দিলে ছোটখাটো ভুল ধরে ফেরত পাঠায়, বারবার আসতে হয়।
শুনানির তারিখ দিয়ে ওই দিনে স্যার নেই বলে ফিরিয়ে দেয়। তিন-চারবার ঘোরার পর কেউ একজন বলে খরচ দিলে সামনের সপ্তাহেই হয়ে যাবে। অনলাইনে আবেদন করেও লাভ হয় না।