জেলা · ঢাকা বিভাগ
ফরিদপুর জেলায় ঘুষ
কোন অফিসে কী হয়, কত টাকা যায়, আর এই জেলায় কার কাছে অভিযোগ করা যায়। সংখ্যা মানে কতজন জানিয়েছেন, কত দুর্নীতি নয়।
গত ৩০ দিনে ফরিদপুর থেকে কোনো অভিযোগ আসেনি আগে এসেছিল ২টি। এখন চুপচাপ — ভালো লক্ষণ, নাকি কেউ জানাচ্ছে না?
- ঘটনা জানানো হয়েছে
- ২টি
- টাকা চাওয়া হয়েছে
- ৳৮,০০০
- দিতে হয়েছে
- ৳৭,০০০
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ০%
কোন সেক্টরে বেশি
যত লম্বা দাগ, তত বেশি ঘটনা। পাশে কত টাকা চাওয়া হয়েছে — সংখ্যা বেশি মানেই টাকা বেশি নয়।
টাকাটা কোথায় গেল
দিতে হয়েছে রুখে দেওয়া গেছে ঝুলে আছে
- দিতে হয়েছে ৳৭,০০০ · ২টি
- রুখে দেওয়া গেছে ৳০ · ০টি
- ঝুলে আছে ৳০ · ০টি
যেসব দাবির ফল জানা গেছে, তার সবগুলোতেই টাকা দিতে হয়েছে। এখনো কেউ না দিয়ে পারেননি।
গত বারো মাসে
মাসে কতটা জানানো হয়েছে। বাড়ছে না কমছে, এক নজরে।
যে অফিসগুলোর কথা সবচেয়ে বেশি এসেছে
রঙ গত ৩০ দিনের অভিযোগের সংখ্যা থেকে, কারও নামে নয়।
-
০
বিআরটিএ ফরিদপুর সার্কেলপ্রতিকার
বিআরটিএ · মোট ১টি · কিছু নেই
-
০
ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসপ্রতিকার
পাসপোর্ট অফিস · মোট ১টি · কিছু নেই
সবশেষ যা জানানো হয়েছে
-
বিআরটিএ ফরিদপুর সার্কেল
Taka dewar por kono test chara just finger diye license peye giyechi
৳৫,০০০ চেয়েছিল ৳৪,০০০ দিয়েছিঅযাচাইকৃত -
ফরিদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
অফিসের সামনে দোকানগুলো থেকে ফাইল করা ছাড়া কাউন্টারে ফর্ম নেয় না। তিন হাজার দিয়ে ফাইল করাতে হলো। সংবাদে অফিসটাকে দালালের আখড়া বলা হয়েছে।
৳৩,০০০ টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
ফরিদপুরে কার কাছে যাবেন
যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর ওপরের ধাপে। জেলা পর্যায়ে যেসব যোগাযোগ যাচাই করা আছে, সেগুলো এখানে; বাকিটা প্রতিকার পাতায়।
এই জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার বা দুদকের জেলা কার্যালয়ের যাচাই করা ইমেইল এখনো যোগ হয়নি। জাতীয় দপ্তরের ইমেইল, হটলাইন আর দুদকের ১০৬ প্রতিকার পাতায় আছে; জেলার কর্মকর্তাদের নম্বর ফরিদপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইটে।
ঢাকা বিভাগের বাকি জেলা
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত