সাভার উপজেলা নির্বাচন অফিস, ঢাকা নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳৩,০০০ (৩ হাজার টাকা), দিতে হয়েছে ৳৩,০০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে এনআইডি / নির্বাচন কমিশন নিয়ে যা এসেছে
-
› ভোটার স্থানান্তরে যাচাইয়ের নামে ঘোরানো
ঠিকানা বদলের আবেদনে বলে তদন্ত হবে, বাড়িতে যাবে। কেউ যায় না। খরচ দিলে তদন্ত ছাড়াই অনুমোদন।
-
› স্মার্ট কার্ড হারালে দ্রুত পেতে খরচ
হারানো কার্ডের জিডি ও ফি জমার পরও বলে প্রিন্ট ঢাকায়, তিন মাস। খরচ দিলে দুই সপ্তাহে হাতে আসে।
-
› এনআইডি সংশোধনের ক্যাটাগরি নামাতে খরচ
নাম বা জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন 'গ' ক্যাটাগরিতে ফেলে ঢাকায় পাঠায়, মাসের পর মাস। দালাল বলে খরচ দিলে 'ক' ক্যাটাগরিতে এখানেই হবে।
এখানে কী হয়েছিল
-
এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধন গ ক্যাটাগরিতে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে, দালালকে তিন হাজার দিলে এখানেই হয়েছে।
১ মাস আগে ঘটনা ০৮/১০/২০২৫
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত