পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা সদর, ঢাকা নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳৪০০,০০০ (৪ লাখ টাকা)। এর মধ্যে ১টিতে টাকা না দিয়েও কাজ হয়েছে। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে অন্যান্য নিয়ে যা এসেছে
-
› সই নিতে বড় কর্তা নেই, পিয়নের খরচে সই আছে
স্যার মিটিংয়ে, স্যার ট্যুরে। পিয়নকে পাঁচশ দিলে দশ মিনিটে সই হয়ে বেরিয়ে আসে।
-
› আবেদন "গ্রহণ" হলেও ফাইল নড়ে না, খরচ দিলে নড়ে
সব সরকারি অফিসের সাধারণ নকশা: আবেদন জমা হয়, রসিদও দেয়। কিন্তু ফাইল টেবিল থেকে টেবিলে যায় না। যে টেবিলে আটকে, সেখানে খরচ দিলে পরের টেবিলে।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳৪০০,০০০ টাকা দিইনিঅযাচাইকৃত
চাকরি দিবে বলে টাকা চেয়েছিলো, সরাসরি নিয়োগ দিবে বলেছে, যতটুকু যাচাই করে জানতে পারলাম সাধারণ মানুষ দেখে টাকা চেয়ে নেয় এবং তাদের সাথে প্রতারণা করে, আমার কাছে চেয়ে ছিলো আমি দেয়নি।
১ মাস আগে
ঢাকা জেলার আরও অন্যান্য
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
ঢাকা জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত