ডুমুরিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, খুলনা নিয়ে বেনামে জানানো ২টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› নকল তুলতে সপ্তাহের বদলে মাস
দলিলের সার্টিফাইড কপি তুলতে গেলে বলে অনেক আবেদন জমে আছে, দুই মাস লাগবে। খরচ দিলে এক সপ্তাহে। নকলনবিশরাই এটা চালান।
-
› দলিলপ্রতি নির্ধারিত অলিখিত টাকা
সরকারি ফির বাইরে দলিলপ্রতি দেড়-দুই হাজার টাকা দলিল লেখকের মাধ্যমে অফিসে যায়। না দিলে দলিল সেদিন রেজিস্ট্রি হয় না, বলে সাহেব ব্যস্ত।
-
› দলিলের মূল্য কম দেখানোর বিনিময়ে ভাগ
বাজারমূল্যের চেয়ে কম দাম লিখে সরকারি ফি বাঁচানো হয়, বাঁচানো টাকার একটা ভাগ অফিসে যায়। যে দলিলে এটা করা হয় না, সেটায় খুঁত ধরা হয়।
এখানে কী হয়েছিল
-
টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
রেজিস্ট্রি অফিসে কয়টা কাগজ আছে তাতে কিছু দাগ খতিয়ান লেখা আছে কিন্তু কোন সরকারি কর্মকর্তা অথবা এসিল্যান্ড কারো কোন স্বাক্ষর নাই । রেজিস্ট্রি করতে গেলে বলে আপনার জমি ভিপি এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করলে এসিলেন মহোদয় জানান সরকারি গেজেট কাগজ ছাড়া মানবেন না প্রমাণ দেখাতে বলেন আমাদের অফিসের রক্ষিত বই আছে এরকম বই না দেখালে মানবেন না। এইরকম ভয়ভীতি দেখায় টাকা খায়
১ মাস আগে
-
টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
খুলনার ডিসি অফিসে রেকর্ডরুমে এসে এ পর্চা পাতা বিনষ্ট। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে থেকে তোলা এস এ পর্চা দিলে হবে না অনলাইনে এস এ পর্চা নাই। আর একটা ভিপি কাগজ দেখায় তাতে কোন সরকারি অফিসে সিল নাই এসিল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করেছিলাম এসিল্যান্ড মহোদয় বলল ওইসব মানবেন না আমাদের কাছে মূল বই আছে এরকম বই না দেখালে মানবেন না। ভয়ভীতি দেখায় টাকা খায়
১ মাস আগে ঘটনা ০৬/০৯/২০২৬
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত