সোনারগাঁ থানা, নারায়ণগঞ্জ নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳৫,০০০ (৫ হাজার টাকা)। এর মধ্যে ১টিতে টাকা না দিয়েও কাজ হয়েছে। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই থানার কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে থানা / পুলিশ নিয়ে যা এসেছে
-
› মামলা নিতে আগে তদন্তের খরচ
এজাহার নিয়ে গেলে বলে আগে ঘটনাস্থল দেখতে হবে, গাড়ির তেল লাগবে। তেলের টাকা না দিলে ঘটনাস্থলে যাওয়াও হয় না, মামলাও হয় না।
-
› তদন্ত কর্মকর্তার মাসিক খরচ
মামলা হওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা দুই পক্ষের কাছেই যান। যে পক্ষ বেশি দেয়, চার্জশিট সেদিকে হেলে। মামলা যত মাস চলে, তত মাস খরচ চলে।
-
› রাতে গাড়ি থামিয়ে কাগজের অজুহাত
কাগজ ঠিক থাকলেও বলে হেলমেটের স্ট্র্যাপ, ইন্ডিকেটর, ইনস্যুরেন্স — কিছু একটা। মামলা দিলে তিন হাজার, এখানে পাঁচশ। বেশিরভাগই এখানেই মিটিয়ে যায়।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳৫,০০০ টাকা দিইনিঅযাচাইকৃত
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহের জন্য সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরও থানা থেকে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। অথচ তিন পুরুষের এই এলাকায় জন্ম এবং বংশের কারও বিরুদ্ধে কোনো পুলিশ কেস ছিল না। এই অনিয়মের প্রতিবাদে আমি পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ইমেইল করেছি।
১ মাস আগে
নারায়ণগঞ্জ জেলার আরও থানা / পুলিশ
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত