দপ্তর ধরে ধরে
আদালতে ঘুষ
Court — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ৫টি ঘটনা, ৪টি আদালত নিয়ে, ৩টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳১,০০০ (১ হাজার টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳১০,০০২,৫০০
- ১ কোটি ২ হাজার ৫০০ টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳২,৫০০
- ২ হাজার ৫০০ টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ২৫%
- ১টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
আদালতে সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ৫টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳১,০০০ (১ হাজার টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳১০,০০০,০০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ২৫%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
আদালতে কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
পেশকারকে না দিলে ফাইল নিচে জামিননামা জমায় জিআরওর বকশিশ সমন জারি না করে তারিখ পেছানো
আদালতে ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
আদালতে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- পেশকারকে না দিলে ফাইল নিচে প্রতি তারিখে পেশকারকে কমপক্ষে পাঁচশ দেওয়ার রেওয়াজ। না দিলে মামলা সেদিন ডাকে না, বা এমন তারিখ দেয় যেদিন সাক্ষী আসতে পারবে না।
- জামিননামা জমায় জিআরওর বকশিশ জামিন হওয়ার পর জামিননামা জমা দিতে গেলে পাঁচশ থেকে এক হাজার টাকা বকশিশ না দিলে কাগজ নেয় না। বিকেল হয়ে গেলে বলে কাল, আরেক রাত হাজতে।
- সমন জারি না করে তারিখ পেছানো সমন জারিকারক বলে ঠিকানায় কাউকে পাওয়া যায়নি। খরচ দিলে পরের সপ্তাহেই জারি হয়। প্রতিবার সমন মানে প্রতিবার খরচ।
- সার্টিফাইড কপি দ্রুত পেতে আলাদা খরচ রায় বা আদেশের নকল তুলতে সাধারণ ফি দিলে এক মাস। জরুরি খরচ দিলে দুই দিন। জামিনের কাগজে এই দেরিটাই হাজতের দিন বাড়ায়।
যেসব আদালত নিয়ে বেশি অভিযোগ
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
প্রথম সাবজজ আদালত বগুড়া
140/1929সালের বন্টন মামলার নথিপত্র গোপন করে। A253/1938মামলা ফাইল গোপন করে। সি এস খতিয়ান জমার মামলা রায় মড়িয়া মৌজার ভূমি উপজেলা গাবতলী জেলা বগুড়া বিভাগ রাজশ...
হয়রানি ঝুলে আছে
-
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত
জামিননামা জমা দিতে এক হাজার বকশিশ না দিলে কাগজ নেয় না। সংবাদ বলছে এটা বহু বছরের অলিখিত রেওয়াজ।
৳১,০০০ টাকা দিয়েছি
-
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত
প্রতি তারিখে পেশকারকে কমপক্ষে পাঁচশ। না দিলে মামলা সেদিন ডাকে না।
৳৫০০ টাকা দিয়েছি
-
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন
জামিনের আবেদনে এক কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগ। দেওয়া হয়নি, তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংবাদে এসেছে।
৳১০,০০০,০০০ টাকা দিইনি
-
চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালত
রায়ের সার্টিফাইড কপি জরুরি পেতে এক হাজার। সাধারণ ফিতে এক মাস।
৳১,০০০ টাকা দিয়েছি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত