চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালত, চট্টগ্রাম নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳১,০০০ (১ হাজার টাকা), দিতে হয়েছে ৳১,০০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই আদালতের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে আদালত নিয়ে যা এসেছে
-
› পেশকারকে না দিলে ফাইল নিচে
প্রতি তারিখে পেশকারকে কমপক্ষে পাঁচশ দেওয়ার রেওয়াজ। না দিলে মামলা সেদিন ডাকে না, বা এমন তারিখ দেয় যেদিন সাক্ষী আসতে পারবে না।
-
› জামিননামা জমায় জিআরওর বকশিশ
জামিন হওয়ার পর জামিননামা জমা দিতে গেলে পাঁচশ থেকে এক হাজার টাকা বকশিশ না দিলে কাগজ নেয় না। বিকেল হয়ে গেলে বলে কাল, আরেক রাত হাজতে।
-
› সমন জারি না করে তারিখ পেছানো
সমন জারিকারক বলে ঠিকানায় কাউকে পাওয়া যায়নি। খরচ দিলে পরের সপ্তাহেই জারি হয়। প্রতিবার সমন মানে প্রতিবার খরচ।
এখানে কী হয়েছিল
-
রায়ের সার্টিফাইড কপি জরুরি পেতে এক হাজার। সাধারণ ফিতে এক মাস।
১ মাস আগে ঘটনা ২৭/০১/২০২৬
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত