দপ্তর ধরে ধরে
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ
Electricity Office — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ৩টি ঘটনা, ৩টি বিদ্যুৎ অফিস নিয়ে, ৩টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳৮,০০০ (৮ হাজার টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳২৫,০০০
- ২৫ হাজার টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳২৩,০০০
- ২৩ হাজার টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ৩৩%
- ১টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
বিদ্যুৎ অফিসে সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ৩টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳৮,০০০ (৮ হাজার টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳১৫,০০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ৩৩%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
বিদ্যুৎ অফিসে কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
মিটার বদলাতে সিরিয়ালের খরচ নতুন সংযোগে খুঁটি ও তারের নামে খরচ লোড বাড়াতে পরিদর্শনের খরচ
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
বিদ্যুৎ অফিসে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- মিটার বদলাতে সিরিয়ালের খরচ নষ্ট বা প্রিপেইড মিটার বদলাতে আবেদন করলে বলে স্টকে নেই। খরচ দিলে দুই দিনে মিটার পাওয়া যায়।
- নতুন সংযোগে খুঁটি ও তারের নামে খরচ অনলাইনে আবেদনের পর বলে খুঁটি লাগবে, তার লাগবে — অফিসে নেই, কিনতে হবে। দালাল সব 'ব্যবস্থা' করে দেয়। খুঁটি আসলে বরাদ্দেই থাকে।
- লোড বাড়াতে পরিদর্শনের খরচ ব্যবসায়িক লোড বাড়াতে পরিদর্শনে এসে বলে ওয়্যারিং ঠিক নেই, রিপোর্ট নেগেটিভ হবে। খরচ দিলে রিপোর্ট পজিটিভ।
- ভুতুড়ে বিল ঠিক করতে খরচ হঠাৎ কয়েক গুণ বিল। অফিসে গেলে বলে মিটার রিডিংয়ে ভুল, সংশোধনের আবেদন করেন। আবেদন নড়ে না, খরচ দিলে পরের মাসে ঠিক হয়।
যেসব বিদ্যুৎ অফিস নিয়ে বেশি অভিযোগ
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
নতুন সংযোগে খুঁটি নেই বলে দালালের মাধ্যমে আট হাজার। সংবাদে দালালের খুঁটি বাণিজ্যের কথা এসেছে।
৳৮,০০০ টাকা দিয়েছি
-
বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি
ব্যবসায়িক লোড বাড়াতে পরিদর্শনে ওয়্যারিং ঠিক নেই বলে পনেরো হাজার। গ্রাহক এজিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বলে সংবাদে।
৳১৫,০০০ টাকা দিয়েছি
-
ডেসকো মিরপুর অফিস
প্রিপেইড মিটার বদলাতে স্টকে নেই বলে দুই হাজার চেয়েছে। দিইনি, তিন সপ্তাহ পরে পেয়েছি।
৳২,০০০ টাকা দিইনি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত