এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
-
কৌশল
মিটার বদলাতে সিরিয়ালের খরচ
নষ্ট বা প্রিপেইড মিটার বদলাতে আবেদন করলে বলে স্টকে নেই। খরচ দিলে দুই দিনে মিটার পাওয়া যায়।
- কোন ধাপে
- মিটার
- কে জড়িত
- মিটার শাখার কর্মচারী
- সাধারণত
- ৳২,০০০
-
কৌশল
নতুন সংযোগে খুঁটি ও তারের নামে খরচ
অনলাইনে আবেদনের পর বলে খুঁটি লাগবে, তার লাগবে — অফিসে নেই, কিনতে হবে। দালাল সব 'ব্যবস্থা' করে দেয়। খুঁটি আসলে বরাদ্দেই থাকে।
- কোন ধাপে
- নতুন সংযোগ
- কে জড়িত
- লাইনম্যান + দালাল
- সাধারণত
- ৳৮,০০০
-
কৌশল
লোড বাড়াতে পরিদর্শনের খরচ
ব্যবসায়িক লোড বাড়াতে পরিদর্শনে এসে বলে ওয়্যারিং ঠিক নেই, রিপোর্ট নেগেটিভ হবে। খরচ দিলে রিপোর্ট পজিটিভ।
- কোন ধাপে
- লোড বাড়ানো
- কে জড়িত
- সহকারী প্রকৌশলী / পরিদর্শক
- সাধারণত
- ৳৫,০০০
-
কৌশল
ভুতুড়ে বিল ঠিক করতে খরচ
হঠাৎ কয়েক গুণ বিল। অফিসে গেলে বলে মিটার রিডিংয়ে ভুল, সংশোধনের আবেদন করেন। আবেদন নড়ে না, খরচ দিলে পরের মাসে ঠিক হয়।
- কোন ধাপে
- বিল সংশোধন
- কে জড়িত
- বিলিং সহকারী
- সাধারণত
- ৳১,০০০
সংবাদে বিদ্যুৎ অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› মিটার বদলাতে সিরিয়ালের খরচ
নষ্ট বা প্রিপেইড মিটার বদলাতে আবেদন করলে বলে স্টকে নেই। খরচ দিলে দুই দিনে মিটার পাওয়া যায়।
-
› নতুন সংযোগে খুঁটি ও তারের নামে খরচ
অনলাইনে আবেদনের পর বলে খুঁটি লাগবে, তার লাগবে — অফিসে নেই, কিনতে হবে। দালাল সব 'ব্যবস্থা' করে দেয়। খুঁটি আসলে বরাদ্দেই থাকে।
-
› লোড বাড়াতে পরিদর্শনের খরচ
ব্যবসায়িক লোড বাড়াতে পরিদর্শনে এসে বলে ওয়্যারিং ঠিক নেই, রিপোর্ট নেগেটিভ হবে। খরচ দিলে রিপোর্ট পজিটিভ।
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত