দপ্তর ধরে ধরে
চাঁদাবাজিয় ঘুষ
Extortion — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ৮টি ঘটনা, ৮টি চাঁদাবাজি নিয়ে, ৪টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳১০,০০০ (১০ হাজার টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳২৮৭,০০০
- ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳১৫১,০০০
- ১ লাখ ৫১ হাজার টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ০%
- ০টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
চাঁদাবাজিয় সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ৮টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳১০,০০০ (১০ হাজার টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳২০০,০০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ০%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
চাঁদাবাজিয় কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
ফুটপাতের দোকানে দিনে তিন দফায় চাঁদা নির্মাণ কাজ শুরুর আগে ইট-বালুর সাপ্লাই বাধ্যতামূলক উৎসবের আগে ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদার তালিকা
চাঁদাবাজিয় ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
চাঁদাবাজিয় কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- ফুটপাতের দোকানে দিনে তিন দফায় চাঁদা সকাল, দুপুর, রাত — তিনজন আলাদা লোক আসে। দোকানভেদে দিনে আড়াইশ থেকে পাঁচশ। না দিলে পরদিন দোকান বসতে দেয় না, মালামাল তুলে নেয়।
- নির্মাণ কাজ শুরুর আগে ইট-বালুর সাপ্লাই বাধ্যতামূলক বাড়ি বানাতে গেলে বলে ইট, বালু, রড তাদের কাছ থেকেই নিতে হবে, বাজারের চেয়ে বেশি দামে। না নিলে রাতে কাজ বন্ধ, শ্রমিক আসতে পারে না।
- উৎসবের আগে ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদার তালিকা ঈদ, পূজা বা দলীয় সম্মেলনের আগে দোকানভেদে টাকার অঙ্ক লেখা তালিকা নিয়ে আসে। দিতে হয়, রসিদ নেই। যারা দেয় না, তাদের দোকানের সামনে মিছিল থামে।
- বাস টার্মিনালে প্রতি ট্রিপে স্লিপের চাঁদা টার্মিনাল ছাড়ার আগে প্রতি ট্রিপে স্লিপ কেটে টাকা। রসিদে 'সমিতির চাঁদা' লেখা। না দিলে গাড়ি বের হতে দেয় না। ক্ষমতা বদলালে লোক বদলায়, স্লিপ বদলায় না।
- হাটে সরকারি খাজনার বাইরে ইজারাদারের বাড়তি টাকা গরু-ছাগল বিক্রিতে নির্ধারিত হাসিলের কয়েক গুণ নেয়, রসিদে কম লেখে। প্রতিবাদ করলে হাট থেকে বের করে দেয়।
যেসব চাঁদাবাজি নিয়ে বেশি অভিযোগ
- মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর ফুটপাত ঢাকা ১টি
- সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ঢাকা ১টি
- গুলিস্তান ফুটপাত বাজার ঢাকা ১টি
- চট্টগ্রাম নগরের একটি নির্মাণাধীন ভবন চট্টগ্রাম ১টি
- কারওয়ান বাজার ঢাকা ১টি
- পাওয়ার হাউজ পাড়া (এলজিডি অফিসের পেছনে) পাওয়ার হাউজ পাড়া (এলজিডি অফিসের পেছনে), কুড়িগ্রাম ১টি
- বড়বাড়ি চৌধুরী মার্কেট ৩৭ নং ওয়াড গাজীপুর সিটি করপোরেশন গাজীপুর মহানগর সিটি করপোরেশন ৩৭ নং ওয়াড, গাজীপুর ১টি
- মোহাম্মাদপুর মোহাম্মদপুর, রায়ের বাজার, ঢাকা ১টি
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
মোহাম্মাদপুর
রায়ের বাজারের বাসিন্দারা ভালো করেই জানেন ইনি ব্যবসা দখলসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। এলাকার সবাই এ বিষয়ে অবগত আছেন।
ইঙ্গিতে টাকা চাওয়া ঝুলে আছে
-
পাওয়ার হাউজ পাড়া (এলজিডি অফিসের পেছনে)
কুড়িগ্রামের হরিজন পল্লীতে প্রায় ৪০০টি পরিবারের বসবাস। সেখানে কোন সরকারিভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকলেও শিশুদের পাঠদানের জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে একটি...
৳২৬,০০০ ঝুলে আছে
-
বড়বাড়ি চৌধুরী মার্কেট ৩৭ নং ওয়াড গাজীপুর সিটি করপোরেশন
আমার ও আমার পরিবার লোক জন সাথে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে কিছু ছবি ছিলো তার জন্য এই বিএনপির নেতা ও তার সাথে তার কিছু এলাকার মাদক ব্যবসাহী ও এলাকার কিছু চলে চিহ্নিত...
৳১০,০০০ টাকা দিয়েছি
-
চট্টগ্রাম নগরের একটি নির্মাণাধীন ভবন
বাড়ির কাজ শুরুর আগে ইট-বালু তাদের কাছ থেকে নিতে হবে, নইলে কাজ বন্ধ। দুই লাখ চেয়েছিল, এক লাখে রফা।
৳২০০,০০০ চেয়েছিল ৳১০০,০০০ দিয়েছি
-
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর ফুটপাত
দোকানভেদে দিনে তিন দফায় আড়াইশ থেকে পাঁচশ। সংবাদে মিরপুরে নেতা ও পুলিশ মিলেমিশে চাঁদাবাজির তালিকা এসেছে।
৳৫০০ টাকা দিয়েছি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত