চট্টগ্রাম নগরের একটি নির্মাণাধীন ভবন, চট্টগ্রাম নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳২০০,০০০ (২ লাখ টাকা), দিতে হয়েছে ৳১০০,০০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই জায়গার কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে চাঁদাবাজি নিয়ে যা এসেছে
-
› ফুটপাতের দোকানে দিনে তিন দফায় চাঁদা
সকাল, দুপুর, রাত — তিনজন আলাদা লোক আসে। দোকানভেদে দিনে আড়াইশ থেকে পাঁচশ। না দিলে পরদিন দোকান বসতে দেয় না, মালামাল তুলে নেয়।
-
› নির্মাণ কাজ শুরুর আগে ইট-বালুর সাপ্লাই বাধ্যতামূলক
বাড়ি বানাতে গেলে বলে ইট, বালু, রড তাদের কাছ থেকেই নিতে হবে, বাজারের চেয়ে বেশি দামে। না নিলে রাতে কাজ বন্ধ, শ্রমিক আসতে পারে না।
-
› উৎসবের আগে ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদার তালিকা
ঈদ, পূজা বা দলীয় সম্মেলনের আগে দোকানভেদে টাকার অঙ্ক লেখা তালিকা নিয়ে আসে। দিতে হয়, রসিদ নেই। যারা দেয় না, তাদের দোকানের সামনে মিছিল থামে।
এখানে কী হয়েছিল
-
বাড়ির কাজ শুরুর আগে ইট-বালু তাদের কাছ থেকে নিতে হবে, নইলে কাজ বন্ধ। দুই লাখ চেয়েছিল, এক লাখে রফা।
১ মাস আগে ঘটনা ০৬/০২/২০২৬
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত