এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
-
কৌশল
খাজনা পরিশোধ করার সময় অনলাইনে ভেরিফিকেশন আটকিয়ে দিয়ে নানা সমস্যার কথা বলে টাকা দাবি করে।
জমির খাজনা অনলাইনে করতে গেলে খতিয়ান দেখে বলা হয় আপনার জমি অন্য এলাকার জমির মালিকের সাথে এস্টেটভুক্ত আছে। ওই থানার ভূমি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করেন। এভাবে নানা কথা বলে ঘুরানো হয়। শেষে টাকা দাবি করে সমাধান করে দেয়।
- কোন ধাপে
- খাজনা / দাখিলা
- কে জড়িত
- ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার / নায়েব)
- সাধারণত
- ৳১৫,০০০
সংবাদে ভূমি অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› নামজারির শুনানি বারবার পেছানো
শুনানির তারিখ দিয়ে ওই দিনে স্যার নেই বলে ফিরিয়ে দেয়। তিন-চারবার ঘোরার পর কেউ একজন বলে খরচ দিলে সামনের সপ্তাহেই হয়ে যাবে। অনলাইনে আবেদন করেও লাভ হয় না।
-
› পুরনো নথি খুঁজতে রেকর্ড রুমের খরচ
পর্চা বা পুরনো খতিয়ান তুলতে গেলে বলে নথি পাওয়া যাচ্ছে না, ইঁদুরে কেটেছে। খরচ দিলে দুই দিনে বের হয়। দালাল ধরলে সেদিনই।
-
› খাজনার দাখিলায় বকেয়া বাড়িয়ে দেখানো
অনলাইনে খাজনা দিতে গেলে দেখায় বিশ বছরের বকেয়া। অফিসে গেলে বলে রেকর্ড ঠিক করতে হবে, খরচ আছে। খরচ দিলে বকেয়া কমে যায়।
নওগাঁ জেলার আরও ভূমি অফিস
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
নওগাঁ জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত