বিআরটিএ মিরপুর অফিস, ঢাকা নিয়ে বেনামে জানানো ২টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳২,৫০০ (২ হাজার ৫০০ টাকা), দিতে হয়েছে ৳২,৩০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে বিআরটিএ নিয়ে যা এসেছে
-
› মালিকানা বদলে বিক্রেতার উপস্থিতির অজুহাত
বলে বিক্রেতাকে সশরীরে আসতে হবে, নইলে হবে না। বিক্রেতা অন্য জেলায়। খরচ দিলে আর আসতে হয় না।
-
› দালাল ধরলে টেস্ট ছাড়াই লাইসেন্স
নিজে পরীক্ষা দিলে ছোট ভুলে ফেল। দালালকে সাত-দশ হাজার দিলে পরীক্ষার দিন উপস্থিত থাকলেই চলে, বা তাও লাগে না। সরকারি ফি এর এক-চতুর্থাংশ।
-
› ফিটনেসে গাড়ি না দেখেই সনদ, দেখলে ফেল
ফিটনেসের লাইনে দালাল ছাড়া গেলে হেডলাইট, টায়ার, ধোঁয়া — কিছু ধরে ফেল। দালালের মাধ্যমে গেলে গাড়ি না এনেও সনদ হয়।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳২,০০০ চেয়েছিল ৳১,৮০০ দিয়েছিঅযাচাইকৃত
বাইকের কাগজপত্র পরিবর্তনের কাজের জন্য তৃতীয় তলায় গেলে চশমা পরা এক ভদ্রলোক আমাকে বারবার নিচতলা ও ওপরতলায় ঘুরান। একপর্যায়ে ওই ভদ্রলোক ও রেকর্ড কিপার মিলে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার বিনিময়ে ২০০০ টাকা দাবি করেন। আমি অসহায় হয়ে শেষ পর্যন্ত ১৮০০ টাকা দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।
১ মাস আগে ঘটনা ১০/১১/২০২৫
-
ট্যাক্স টোকেন নবায়নের লাইনের সিরিয়াল পাঁচশ টাকায় বিক্রি।
১ মাস আগে ঘটনা ২৫/০২/২০২৬
ঢাকা জেলার আরও বিআরটিএ
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
ঢাকা জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত