দপ্তর ধরে ধরে
বিআরটিএয় ঘুষ
BRTA — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ১০টি ঘটনা, ৮টি বিআরটিএ নিয়ে, ৭টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳৩,০০০ (৩ হাজার টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳৩৫,৮০০
- ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳২৮,৬০০
- ২৮ হাজার ৬০০ টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ২০%
- ২টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
বিআরটিএয় সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ১০টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳৩,০০০ (৩ হাজার টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳১০,০০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ২০%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
বিআরটিএয় কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
মালিকানা বদলে বিক্রেতার উপস্থিতির অজুহাত দালাল ধরলে টেস্ট ছাড়াই লাইসেন্স ফিটনেসে গাড়ি না দেখেই সনদ, দেখলে ফেল
বিআরটিএয় ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
বিআরটিএয় কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- মালিকানা বদলে বিক্রেতার উপস্থিতির অজুহাত বলে বিক্রেতাকে সশরীরে আসতে হবে, নইলে হবে না। বিক্রেতা অন্য জেলায়। খরচ দিলে আর আসতে হয় না।
- দালাল ধরলে টেস্ট ছাড়াই লাইসেন্স নিজে পরীক্ষা দিলে ছোট ভুলে ফেল। দালালকে সাত-দশ হাজার দিলে পরীক্ষার দিন উপস্থিত থাকলেই চলে, বা তাও লাগে না। সরকারি ফি এর এক-চতুর্থাংশ।
- ফিটনেসে গাড়ি না দেখেই সনদ, দেখলে ফেল ফিটনেসের লাইনে দালাল ছাড়া গেলে হেডলাইট, টায়ার, ধোঁয়া — কিছু ধরে ফেল। দালালের মাধ্যমে গেলে গাড়ি না এনেও সনদ হয়।
- মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনে ফাইল খরচ শোরুম থেকেই বলে দেয় বিআরটিএর খরচ আলাদা, পাঁচ-সাত হাজার। নিজে গেলে কাগজে ভুল ধরে বারবার ফেরায়।
- ট্যাক্স টোকেন নবায়নে লাইনের টোকেন বিক্রি ব্যাংকের লাইন সকালেই শেষ। পাশে দাঁড়ানো লোক পাঁচশ টাকায় সিরিয়াল বিক্রি করে। যারা কেনে না, তারা ফিরে যায়।
যেসব বিআরটিএ নিয়ে বেশি অভিযোগ
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
বিআরটিএ ঢাকা সার্কেল
বাইকের নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দিষ্ট দিনে সেখানে গেলে এক নিরাপত্তাকর্মীর পরিচিত ব্যক্তি সিরিয়াল এড়িয়ে ১ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার প্রস্তাব...
৳১,০০০ টাকা দিইনি
-
বিআরটিএ মিরপুর অফিস
বাইকের কাগজপত্র পরিবর্তনের কাজের জন্য তৃতীয় তলায় গেলে চশমা পরা এক ভদ্রলোক আমাকে বারবার নিচতলা ও ওপরতলায় ঘুরান। একপর্যায়ে ওই ভদ্রলোক ও রেকর্ড কিপার মিলে কাজট...
৳২,০০০ চেয়েছিল ৳১,৮০০ দিয়েছি
-
বিআরটিএ মেহেরপুর সার্কেল
পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়েছে। প্রায় আড়াই শ পরীক্ষার্থীর সবার কাছ থেকেই এভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে এবং এটি তাদের নিয়মিত অভ্যাস। বিষয়টি...
৳১০০ টাকা দিয়েছি
-
বিআরটিএ ফরিদপুর সার্কেল
Taka dewar por kono test chara just finger diye license peye giyechi
৳৫,০০০ চেয়েছিল ৳৪,০০০ দিয়েছি
-
বিআরটিএ সিলেট সার্কেল
লাইসেন্সের জন্য Z পরিক্ষা দিছি অ্যান্ড পারছি তবুও পাস করতে পারি নি website রিজাল্ট ফেল আসলো।
আবার পরিক্ষার আবেদন করলাম , পরিক্ষার ১ দিন আগে ৩২০০ দিয়ে দালাল ধরে...
৳৩,২০০ টাকা দিয়েছি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত