বানীবহ ইউনিয়ন ভূমি অফিস, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳২,০০০ (২ হাজার টাকা), দিতে হয়েছে ৳৫০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে ভূমি অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› নামজারির শুনানি বারবার পেছানো
শুনানির তারিখ দিয়ে ওই দিনে স্যার নেই বলে ফিরিয়ে দেয়। তিন-চারবার ঘোরার পর কেউ একজন বলে খরচ দিলে সামনের সপ্তাহেই হয়ে যাবে। অনলাইনে আবেদন করেও লাভ হয় না।
-
› পুরনো নথি খুঁজতে রেকর্ড রুমের খরচ
পর্চা বা পুরনো খতিয়ান তুলতে গেলে বলে নথি পাওয়া যাচ্ছে না, ইঁদুরে কেটেছে। খরচ দিলে দুই দিনে বের হয়। দালাল ধরলে সেদিনই।
-
› খাজনার দাখিলায় বকেয়া বাড়িয়ে দেখানো
অনলাইনে খাজনা দিতে গেলে দেখায় বিশ বছরের বকেয়া। অফিসে গেলে বলে রেকর্ড ঠিক করতে হবে, খরচ আছে। খরচ দিলে বকেয়া কমে যায়।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳২,০০০ চেয়েছিল ৳৫০০ দিয়েছিঅযাচাইকৃত
জমির খাজনা দিতে গেলে নামজারি হওয়া আগত খতিয়ানগুলো রেজিস্টার ১ ও রেজিস্টার ২-এ খারিজ করা নেই বলে মূল খতিয়ানে জমি দেখাচ্ছে। এই খতিয়ানগুলো থেকে জমি খারিজ করানোর জন্য দুই হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে পাঁচশত টাকা দেওয়া হয়।
১ মাস আগে ঘটনা ১৩/০৯/২০২৬
রাজবাড়ী জেলার আরও ভূমি অফিস
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
রাজবাড়ী জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত