দপ্তর ধরে ধরে
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশনে ঘুষ
Airport / Immigration — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ৬টি ঘটনা, ৩টি বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন নিয়ে, ২টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳৭৫০ (৭৫০ টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳১৬,৮০০
- ১৬ হাজার ৮০০ টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳৭,৩০০
- ৭ হাজার ৩০০ টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ০%
- ০টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশনে সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ৬টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳৭৫০ (৭৫০ টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳১০,০০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ০%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশনে কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
ট্রলি ও গাড়ি ঠিক করে দেওয়ার নামে খরচ বহির্গমন কার্ড পূরণ করে দিয়ে টাকা ছাড়পত্র বা বিএমইটি কার্ডে ভুল ধরে দালালের কাছে পাঠানো
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশনে ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশনে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- ট্রলি ও গাড়ি ঠিক করে দেওয়ার নামে খরচ বের হওয়ার গেটে ট্রলি টেনে দিয়ে, ট্যাক্সি ডেকে দিয়ে বকশিশ চায়। না দিলে লাগেজ ধরে টানাটানি। নতুন আসা কর্মীরা ভয়ে দিয়ে দেন।
- বহির্গমন কার্ড পূরণ করে দিয়ে টাকা যারা লিখতে পারেন না, তাদের কার্ড পূরণ করে দিয়ে পঞ্চাশ-একশ টাকা চায়। কার্ড আসলে কাউন্টারে বিনামূল্যে পূরণ করার কথা।
- ছাড়পত্র বা বিএমইটি কার্ডে ভুল ধরে দালালের কাছে পাঠানো বলে কার্ডের স্ট্যাম্প বা তারিখে সমস্যা, ফ্লাইট মিস হবে। তারপর বাইরের একজনের নম্বর দেয়, সে তিন হাজারে সব ঠিক করে দেয়।
- লাগেজ খুলিয়ে জিনিস আটকে বকশিশ প্রবাসী কর্মীর লাগেজ খুলিয়ে বলে এই মোবাইল, এই সোনার চেইন — ট্যাক্স লাগবে। কাগজ দেখাতে বললে দেখায় না। এক হাজার ধরিয়ে দিলে ব্যাগ বন্ধ করে দেয়।
- ভিসার ছবি বা মেয়াদের অজুহাতে ইমিগ্রেশনে আটকানো ভিসা ঠিক থাকলেও বলে ছবিটা মিলছে না, মেয়াদ কম। লাইন থেকে সরিয়ে পাশে দাঁড় করায়। ফ্লাইটের সময় হয়ে এলে একশ-পাঁচশ দিলে ছেড়ে দেয়।
যেসব বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন নিয়ে বেশি অভিযোগ
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
আজকে এয়ারপোর্টে একটি ছোট প্রিন্টিংয়ের দোকান থেকে আমার পাসপোর্টের কপি ও অন্যান্য ডকুমেন্ট মিলিয়ে মোট ৪টি A4 সাইজের কপি প্রিন্ট করি।
প্রিন্ট করা শেষে টাকা দিত...
৳২০০ টাকা দিয়েছি
-
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
ভিসা ও সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অসাধু কর্মকর্তারা আমাকে বোর্ডিং পাস দিচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে তাদের কথামতো আমি বিকাশের মাধ্যমে ঘুষের...
৳১০,০০০ চেয়েছিল ৳৪,০০০ দিয়েছি
-
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
প্রবাসী কর্মীর লাগেজ টানাটানি করে বকশিশ চাওয়া। সংবাদে এই বিমানবন্দরে ৯ খাতে যাত্রী হয়রানির কথা এসেছে, ৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।
৳১,০০০ চেয়েছিল ৳৫০০ দিয়েছি
-
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
ভিসার ছবি মিলছে না বলে লাইন থেকে সরিয়ে রাখা, ফ্লাইটের সময় হলে পাঁচশ দিয়ে ছাড়া।
৳৫০০ টাকা দিয়েছি
-
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
দেশে ফেরার সময় লাগেজ খুলিয়ে মোবাইল আর সোনার চেইনে ট্যাক্স লাগবে বলে পাঁচ হাজার চাওয়া, দুই হাজারে ছাড়া। কোনো রসিদ নেই।
৳৫,০০০ চেয়েছিল ৳২,০০০ দিয়েছি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত