শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন · চট্টগ্রাম
Airport / Immigration · Chattogram, Bangladesh
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম নিয়ে বেনামে জানানো ২টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳১,৫০০ (১ হাজার ৫০০ টাকা), দিতে হয়েছে ৳১,০০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই বিমানবন্দরের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন নিয়ে যা এসেছে
-
› ট্রলি ও গাড়ি ঠিক করে দেওয়ার নামে খরচ
বের হওয়ার গেটে ট্রলি টেনে দিয়ে, ট্যাক্সি ডেকে দিয়ে বকশিশ চায়। না দিলে লাগেজ ধরে টানাটানি। নতুন আসা কর্মীরা ভয়ে দিয়ে দেন।
-
› বহির্গমন কার্ড পূরণ করে দিয়ে টাকা
যারা লিখতে পারেন না, তাদের কার্ড পূরণ করে দিয়ে পঞ্চাশ-একশ টাকা চায়। কার্ড আসলে কাউন্টারে বিনামূল্যে পূরণ করার কথা।
-
› ছাড়পত্র বা বিএমইটি কার্ডে ভুল ধরে দালালের কাছে পাঠানো
বলে কার্ডের স্ট্যাম্প বা তারিখে সমস্যা, ফ্লাইট মিস হবে। তারপর বাইরের একজনের নম্বর দেয়, সে তিন হাজারে সব ঠিক করে দেয়।
এখানে কী হয়েছিল
-
প্রবাসী কর্মীর লাগেজ টানাটানি করে বকশিশ চাওয়া। সংবাদে এই বিমানবন্দরে ৯ খাতে যাত্রী হয়রানির কথা এসেছে, ৫০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।
১ মাস আগে ঘটনা ১৪/০৮/২০২৫
-
ভিসার ছবি মিলছে না বলে লাইন থেকে সরিয়ে রাখা, ফ্লাইটের সময় হলে পাঁচশ দিয়ে ছাড়া।
১ মাস আগে ঘটনা ৩০/০৯/২০২৫
চট্টগ্রাম জেলার আরও বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত