শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন · চট্টগ্রাম
Airport / Immigration · Chattogram, Bangladesh
শাহ্ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳২০০ (২০০ টাকা), দিতে হয়েছে ৳২০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
-
কৌশল
এয়ারপোর্টের ক্যাফেগুলোতে MRP-এর চেয়ে অতিরিক্ত দাম!
ছোট কৌশল, বড় ব্যবসা: এয়ারপোর্টের ক্যাফেগুলোতে MRP-এর চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায়! এয়ারপোর্টের ক্যাফেগুলোতে প্রায় সবকিছুর দামই MRP-এর চেয়ে ১০ টাকা বা তারও বেশি বাড়িয়ে নেওয়া হয়। সাধারণ যাত্রীরা প্রয়োজনের তাগিদে এসব খাবার ও পানীয় কিনতে বাধ্য হন, আর সেই সুযোগেই অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে। যেমন, ২০ টাকা MRP-এর একটি চিপস কিনতে গেলে ৩০ টাকা দিতে হয়। ২০ টাকা মূল্যের পানির বোতলের জন্যও ৩০ টাকা নেওয়া হয়। আবার ১০০ টাকা মূল্যের একটি বার্গার ১৪০ টাকা এবং ১৩০ টাকা মূল্যের বার্গার ১৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়। দোকানদারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে অনেক সময় সরাসরি বলা হয়, "নিলে নেন, না নিলে চলে যান। এটাই দাম।" এভাবে যাত্রীদের প্রয়োজন ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। এয়ারপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে খাবার ও পানীয়ের মূল্য নির্ধারণ এবং MRP মেনে চলার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা জরুরি। যাত্রীরা যেন বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দাম না দেন, সেটাই প্রত্যাশা।
সংবাদে বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন নিয়ে যা এসেছে
-
› ট্রলি ও গাড়ি ঠিক করে দেওয়ার নামে খরচ
বের হওয়ার গেটে ট্রলি টেনে দিয়ে, ট্যাক্সি ডেকে দিয়ে বকশিশ চায়। না দিলে লাগেজ ধরে টানাটানি। নতুন আসা কর্মীরা ভয়ে দিয়ে দেন।
-
› বহির্গমন কার্ড পূরণ করে দিয়ে টাকা
যারা লিখতে পারেন না, তাদের কার্ড পূরণ করে দিয়ে পঞ্চাশ-একশ টাকা চায়। কার্ড আসলে কাউন্টারে বিনামূল্যে পূরণ করার কথা।
-
› ছাড়পত্র বা বিএমইটি কার্ডে ভুল ধরে দালালের কাছে পাঠানো
বলে কার্ডের স্ট্যাম্প বা তারিখে সমস্যা, ফ্লাইট মিস হবে। তারপর বাইরের একজনের নম্বর দেয়, সে তিন হাজারে সব ঠিক করে দেয়।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳২০০ টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
আজকে এয়ারপোর্টে একটি ছোট প্রিন্টিংয়ের দোকান থেকে আমার পাসপোর্টের কপি ও অন্যান্য ডকুমেন্ট মিলিয়ে মোট ৪টি A4 সাইজের কপি প্রিন্ট করি। প্রিন্ট করা শেষে টাকা দিতে গেলে দোকানদার আমার কাছে ২০০ টাকা দাবি করেন। অথচ বাইরে সাধারণত A4 সাইজের একটি কপি প্রিন্ট করতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা নেওয়া হয়। সেই হিসাবে ৪টি কপির জন্য মোট ৪০ টাকা হওয়ার কথা। আমি দোকানদারকে বিষয়টি জানিয়ে বলি, "বাইরে তো প্রতি কপি ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।" তখন তিনি জানান, এই দোকানে প্রতি কপি ৫০ টাকা করে। আমি তাকে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করি এবং অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে আমাকে ২০০ টাকা দিয়েই প্রিন্টের বিল পরিশোধ করতে হয়। এয়ারপোর্টের মতো জায়গায় যাত্রীরা অনেক সময় প্রয়োজনের তাগিদে এসব সেবা নিতে বাধ্য হন। সেই সুযোগে এভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেটাই আমার প্রশ্ন। সাধারণ একটি প্রিন্টের জন্য ৪০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা নেওয়া সত্যিই হতাশাজনক।
১ মাস আগে ঘটনা ২২/০৬/২০২৬
চট্টগ্রাম জেলার আরও বিমানবন্দর / ইমিগ্রেশন
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত