দপ্তর ধরে ধরে
পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ
Passport Office — bribe reports from Bangladesh
মানুষ বেনামে জানিয়েছেন ১০টি ঘটনা, ৯টি পাসপোর্ট অফিস নিয়ে, ৮টি জেলা থেকে। সাধারণত চাওয়া হয়েছে ৳২,০০০ (২ হাজার টাকা) — এটি মাঝের অঙ্ক, গড় নয়।
- মোট দাবি করা হয়েছে
- ৳২৫,০১৫
- ২৫ হাজার ১৫ টাকা
- দিতে হয়েছে
- ৳২১,৩০০
- ২১ হাজার ৩০০ টাকা
- না দিয়েও কাজ হয়েছে
- ৩০%
- ৩টি ঘটনায়
মানুষ যা জানতে চায়
পাসপোর্ট অফিসে সাধারণত কত টাকা ঘুষ চাওয়া হয়?
বেনামে জানানো ১০টি ঘটনার মধ্যিখানের অঙ্কটি ৳২,০০০ (২ হাজার টাকা)। সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল ৳৭,৫০০।
টাকা না দিলে কি কাজ হয় না?
যেসব ঘটনার ফল জানা গেছে, তার ৩০%-এ মানুষ টাকা দেননি। অর্থাৎ না দিয়েও কাজ হয় — অনেকেই পেরেছেন।
পাসপোর্ট অফিসে কীভাবে টাকা চাওয়া হয়?
নাম-বয়স সংশোধনে অতিরিক্ত ফাইল খরচ ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল ডেলিভারির তারিখ পার হলেও প্রিন্ট আটকে
পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ চাইলে কোথায় অভিযোগ করব?
এই সাইটে বেনামে লিখতে পারেন — নাম, ফোন বা পরিচয় কিছুই লাগে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দুদকে (হটলাইন ১০৬) অভিযোগ করা যায়; কার কাছে, কী লিখতে হয় তা "প্রতিকার" পাতায় ধাপে ধাপে দেওয়া আছে।
পাসপোর্ট অফিসে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
- নাম-বয়স সংশোধনে অতিরিক্ত ফাইল খরচ সংশোধনের আবেদন জমা নেয় না, বলে ঢাকা থেকে অনুমোদন লাগবে। দালাল বলে পাঁচ হাজার দিলে ওপরে পাঠানোর দরকার হবে না, এখানেই হয়ে যাবে।
- ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল অনলাইন ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল বসানো থাকলে কাউন্টারে ওরা বোঝে এটা 'চ্যানেল ফাইল'। তখন ফাইল এক দিনে যায়। নিজের ইমেইল দিলে ছোটখাটো ভুল ধরে ফেরত পাঠায়, বারবার আসতে হয়।
- ডেলিভারির তারিখ পার হলেও প্রিন্ট আটকে স্লিপের তারিখে গেলে বলে এখনো আসেনি। তিন-চারবার ঘোরার পর কেউ একজন বলে খরচ দিলে আজই বের হয়ে যাবে। খরচ দিলে সত্যিই সেদিনই দেয়।
- ছবির লাইনে টোকেন বিক্রি ভোরে লাইন দিলেও সিরিয়াল আসে না। পাশের লোক বলে পাঁচশ দিলে ভেতরের লাইনে ঢুকিয়ে দেবে। যারা দেয় তারা এক ঘণ্টায় বের হয়, বাকিরা বিকেল পর্যন্ত।
- কাগজে কৃত্রিম ত্রুটি ধরে আবেদন বাতিল নিজে গেলে জন্মসনদের বানান, ঠিকানার মিল, ছবির পেছনের রং — কিছু একটা ধরে ফেরত দেয়। বাইরের দোকানের দালাল ধরলে একই কাগজ সেদিনই জমা হয়ে যায়। সরকারি ফির ওপরে আড়াই হাজার, তার অর্ধেক ন...
যেসব পাসপোর্ট অফিস নিয়ে বেশি অভিযোগ
- ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ফেনী ২টি
- যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট অফিস ঢাকা ১টি
- ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস, আগারগাঁও ঢাকা ১টি
- রংপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস রংপুর ১টি
- পঞ্চগড় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পঞ্চগড় ১টি
- রাজশাহী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস রাজশাহী ১টি
- ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ময়মনসিংহ ১টি
- নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নরসিংদী ১টি
কোন জেলায় বেশি
সদ্য জানানো
-
রাজশাহী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
আমাকে বলল ১৫০০ টাকা দেন ২১ দিন পড়ে এসে পাসপোর্ট নিয়েজান
৳১,৫০০ টাকা দিইনি
-
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
আবেদনপত্রে মা-বাবার আইডি কার্ডের নম্বর ঐচ্ছিক হওয়া সত্ত্বেও তা না দেওয়ায় প্রথমে আবেদনটি বাতিল করে পুনরায় করতে বলা হয়। পরবর্তীতে নতুন আবেদন করার পর শুধু ফটোকপিতে...
হয়রানি টাকা দিইনি
-
কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
কাবিননামার কাগজ ছিলো না,আমি ও বুঝিনি কি করা লাগবে, পরে এক পুলিশ বললো সে কন্ট্রাকে করে দিবে, তারপর তার কাছে নিয়ে যায়, প্রথমে ২০০০ টাকা চায় পরে আমি বলি কমিয়ে বলে...
৳২,০০০ চেয়েছিল ৳১,৮০০ দিয়েছি
-
ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষের পাসপোর্ট জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। দালাল ছাড়া ফাইল জমা দিতে গেলে অফিসের প্রথম ধাপেই নথিপত্রে নানা অজুহাত...
৳৭,৫০০ টাকা দিয়েছি
-
রংপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস
পাসপোর্ট তৈরির সময় নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রতিটির জন্য সব সময় ১৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া হয়। এই অনৈতিক কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ...
৳১৫ টাকা দিয়েছি
সব সংখ্যা মানুষের বেনামে দেওয়া অভিযোগ থেকে, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কীভাবে কাজ করে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত