রংপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, রংপুর নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳১৫ (১৫ টাকা)। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই অফিসের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে পাসপোর্ট অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› নাম-বয়স সংশোধনে অতিরিক্ত ফাইল খরচ
সংশোধনের আবেদন জমা নেয় না, বলে ঢাকা থেকে অনুমোদন লাগবে। দালাল বলে পাঁচ হাজার দিলে ওপরে পাঠানোর দরকার হবে না, এখানেই হয়ে যাবে।
-
› ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল
অনলাইন ফর্মের ইমেইলের ঘরে দালালের ইমেইল বসানো থাকলে কাউন্টারে ওরা বোঝে এটা 'চ্যানেল ফাইল'। তখন ফাইল এক দিনে যায়। নিজের ইমেইল দিলে ছোটখাটো ভুল ধরে ফেরত পাঠায়, বারবার আসতে হয়।
-
› ডেলিভারির তারিখ পার হলেও প্রিন্ট আটকে
স্লিপের তারিখে গেলে বলে এখনো আসেনি। তিন-চারবার ঘোরার পর কেউ একজন বলে খরচ দিলে আজই বের হয়ে যাবে। খরচ দিলে সত্যিই সেদিনই দেয়।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳১৫ টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
পাসপোর্ট তৈরির সময় নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রতিটির জন্য সব সময় ১৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া হয়। এই অনৈতিক কাজের সাথে সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এই ঘুষ আদায় করে আসছে। এর প্রতিকার চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।
১ মাস আগে
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত