Hazrat shah ali bagdadi kamil madrasa
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / শিক্ষা অফিস · Mirpur, ঢাকা
School / Education Office · Dhaka, Bangladesh
Hazrat shah ali bagdadi kamil madrasa, Mirpur, ঢাকা নিয়ে বেনামে জানানো ১টি ঘুষের ঘটনা এখানে আছে। সব মিলিয়ে চাওয়া হয়েছিল ৳৫০০ (৫০০ টাকা), দিতে হয়েছে ৳৫০০। সর্বশেষ জানানো হয়েছে ।
এই অফিসের খবর ছড়িয়ে দিন
এই সংখ্যাটা কীসের?
শুধু গত ৩০ দিনে প্রকাশিত অভিযোগ থেকে রঙ ঠিক হয়। পুরোনোগুলো মোট সংখ্যায় থাকে। বাতিল বা এখনো দেখা হয়নি এমন অভিযোগ কোথাও গোনা হয় না।
মানুষের বলা কথা, কেউ যাচাই করেনি। কারও নাম এখানে নেই। কেন নেই
এখানে কীভাবে নেওয়া হয়
যাওয়ার আগে পড়ে যান — চিহ্নটা চিনলে ফাঁদটাও চেনা যায়।
এই প্রতিষ্ঠানের কৌশল এখনো কেউ লেখেননি। আপনি জানলে লিখুন।
সংবাদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / শিক্ষা অফিস নিয়ে যা এসেছে
-
› মৃত শিক্ষকের পাওনা তুলতে পরিবারের কাছে ঘুষ
মৃত শিক্ষকের পেনশন বা কল্যাণ তহবিলের টাকা তুলতে গেলে পরিবারকে বলে ফাইল আটকে আছে, মোট পাওনার দশ ভাগ দিলে ছাড়া হবে।
-
› সার্টিফিকেট সংশোধনে বোর্ডে দালাল
নামের বানান ঠিক করতে বোর্ডে গেলে বলে শুনানির তারিখ ছয় মাস পর। বাইরের দালাল বলে পাঁচ হাজারে এক মাসে হয়ে যাবে, ভেতরে লোক আছে।
-
› ভর্তি লটারির বাইরে খরচে সিট
লটারিতে না এলেও বলে ম্যানেজিং কমিটির কোটায় হবে, উন্নয়ন ফি দিতে হবে। রসিদ ছাড়া নগদ। প্রথম শ্রেণিতেও এই খরচ।
এখানে কী হয়েছিল
-
৳৫০০ টাকা দিয়েছিঅযাচাইকৃত
আমি প্রশংসাপত্র নেওয়ার জন্য গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত আমাকে বসিয়ে রাখা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, টাকা হাতে দিলে তবেই প্রশংসাপত্র দেওয়া হবে, না হলে দেওয়া হবে না। আরও জানানো হয়েছে, সার্টিফিকেট কয়েকদিন পরে আসলে সেটি নেওয়ার সময় আবার ৫০০ টাকা দিতে হবে। সত্যায়িত মার্কশিটের জন্যও আলাদা টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। তারা এ বিষয়ে একটি গ্রুপ করে রেখেছে, যেখানে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। মাদ্রাসার হলের বড় একটি অংশে সেখানে কর্মরত/সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পরিবার নিয়ে থাকেন। আনুমানিক ৭০% জায়গা তারা পরিবার নিয়ে ব্যবহার করেন এবং বাকি প্রায় ৩০% জায়গায় শিক্ষার্থীরা থাকে। কিছুদিন আগে একজন শিক্ষার্থী প্রতি বছর সরকার থেকে বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য কোনো টাকা/বরাদ্দ দেওয়া হয় কি না এবং সেই টাকা কোথায় বা কীভাবে ব্যবহার করা হয়—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিল। এরপর সেখানে থাকা ৩-৪ জন শিক্ষক/কর্মকর্তা স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলেকে ডেকে এনে ওই শিক্ষার্থীকে ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ রয়েছে। রামদা, ছুরিসহ বিভিন্ন অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং ভবিষ্যতে যেন কেউ এসব বিষয়ে প্রশ্ন না করে, সে বিষয়ে হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে থানায় রিপোর্ট/অভিযোগ করা হয়েছিল বলেও জানা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন কাগজপত্র ও অন্যান্য সেবার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফির তুলনায় অনেক বেশি টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। উপরোক্ত বিষয়গুলো সঠিকভাবে তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
১ মাস আগে ঘটনা ১৬/০৯/২০২৬
ঢাকা জেলার আরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / শিক্ষা অফিস
যেগুলো নিয়ে মানুষ জানিয়েছে।
ঢাকা জেলার পুরো চিত্র দেখুন →এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত