জমির খাজনা দিতে গেলে নামজারি হওয়া আগত খতিয়ানগুলো রেজিস্টার ১ ও রেজিস্টার ২-এ খারিজ করা নেই বলে মূল খতিয়ানে জমি দেখাচ্ছে। এই খতিয়ানগুলো থেকে জমি খারিজ করানোর জন্য দুই হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে পাঁচশত টাকা দেওয়া হয়।
বেনামে ঘুষের অভিযোগ — বাংলাদেশের সরকারি অফিস ধরে ধরে
এই জেলার ৩টি অভিযোগ সবার উপরে, তারপর আশেপাশের আর সারা দেশের।
- এমন কোনো জেলা নেই। বানান দেখে নিন।
গত ৩০ দিনে রাজবাড়ী থেকে কোনো অভিযোগ আসেনি
আগে এসেছিল ৩টি। এখন চুপচাপ — ভালো লক্ষণ, নাকি কেউ জানাচ্ছে না?
রাজবাড়ী জেলার পুরো ছবি →- এই জেলায় দাবি করা অঙ্ক
- ৳০
- সবচেয়ে বেশি যেখানে
- মৃগী ইউনিয়ন ভূমি অফিস
মৃগী ভূমি অফিসে মূলত সমস্ত কর্মকর্তা কর্মচারী পদে পদে ঘুষ খায়, আর একটা কাগজ উঠাতে গেলে তো কথাই নেই হাজার হাজার টাকা দেওয়া লাগে। সবগুলো বাটপার ইনশাআল্লাহ এদের মৃত্যু হবে করুণ পরিণতি।
সংবাদে প্রকাশিত ঘটনা · ব্যবহারকারীর জমা নয়
দলিলের মূল্য কম দেখিয়ে ফি বাঁচানো হয়, বাঁচানো টাকার ভাগ অফিসে। সংবাদে অফিস ঘিরে কোটি টাকার বাণিজ্যের কথা।
উদয়ন এক্সপ্রেস এ আমি যাত্রার সময় খেয়াল করি যে সম্ভবত রেলওয়ে ক্যান্টিন বয় ট্রেনের বিভিন্ন বগির বিভিন্ন যায়গায় ফলের ক্যারেট ও রঙের বালতি রেখে দেয়। এবং পরবর্তীতে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেখানে বসতে দেয়। আমার কাছেও টাকা চেয়েছিল। যারা আসনবিহীন টিকিট কাটে তারাও টাকা দিয়ে বসতে হয়। এতে সাধারন জনগন অত্যান্ত হয়রানির মুখোমুখ...
সম্পূর্ণ দেখুনচাকরি দিবে বলে টাকা চেয়েছিলো, সরাসরি নিয়োগ দিবে বলেছে, যতটুকু যাচাই করে জানতে পারলাম সাধারণ মানুষ দেখে টাকা চেয়ে নেয় এবং তাদের সাথে প্রতারণা করে, আমার কাছে চেয়ে ছিলো আমি দেয়নি।
রায়ের বাজারের বাসিন্দারা ভালো করেই জানেন ইনি ব্যবসা দখলসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। এলাকার সবাই এ বিষয়ে অবগত আছেন।
বাইকের নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দিষ্ট দিনে সেখানে গেলে এক নিরাপত্তাকর্মীর পরিচিত ব্যক্তি সিরিয়াল এড়িয়ে ১ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। অতিরিক্ত টাকা দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্লেট লাগিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে অফিস খরচ বাবদ চেয়েছে।
বাইকের কাগজপত্র পরিবর্তনের কাজের জন্য তৃতীয় তলায় গেলে চশমা পরা এক ভদ্রলোক আমাকে বারবার নিচতলা ও ওপরতলায় ঘুরান। একপর্যায়ে ওই ভদ্রলোক ও রেকর্ড কিপার মিলে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার বিনিময়ে ২০০০ টাকা দাবি করেন। আমি অসহায় হয়ে শেষ পর্যন্ত ১৮০০ টাকা দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।
খারিজের জন্য টাকা নিয়েছে,,কোনো কাজ ই হয় নি উলটো আমার জমি অন্যজনের নামে খারিজ করে দিয়েছে।
মোট প্রকাশিত অভিযোগ ১২৫টি
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত