Taka dewar por kono test chara just finger diye license peye giyechi
বেনামে ঘুষের অভিযোগ — বাংলাদেশের সরকারি অফিস ধরে ধরে
এই জেলার ২টি অভিযোগ সবার উপরে, তারপর আশেপাশের আর সারা দেশের।
- এমন কোনো জেলা নেই। বানান দেখে নিন।
গত ৩০ দিনে ফরিদপুর থেকে কোনো অভিযোগ আসেনি
আগে এসেছিল ২টি। এখন চুপচাপ — ভালো লক্ষণ, নাকি কেউ জানাচ্ছে না?
ফরিদপুর জেলার পুরো ছবি →- এই জেলায় দাবি করা অঙ্ক
- ৳০
- সবচেয়ে বেশি যেখানে
- বিআরটিএ ফরিদপুর সার্কেল
সংবাদে প্রকাশিত ঘটনা · ব্যবহারকারীর জমা নয়
অফিসের সামনে দোকানগুলো থেকে ফাইল করা ছাড়া কাউন্টারে ফর্ম নেয় না। তিন হাজার দিয়ে ফাইল করাতে হলো। সংবাদে অফিসটাকে দালালের আখড়া বলা হয়েছে।
উদয়ন এক্সপ্রেস এ আমি যাত্রার সময় খেয়াল করি যে সম্ভবত রেলওয়ে ক্যান্টিন বয় ট্রেনের বিভিন্ন বগির বিভিন্ন যায়গায় ফলের ক্যারেট ও রঙের বালতি রেখে দেয়। এবং পরবর্তীতে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেখানে বসতে দেয়। আমার কাছেও টাকা চেয়েছিল। যারা আসনবিহীন টিকিট কাটে তারাও টাকা দিয়ে বসতে হয়। এতে সাধারন জনগন অত্যান্ত হয়রানির মুখোমুখ...
সম্পূর্ণ দেখুনচাকরি দিবে বলে টাকা চেয়েছিলো, সরাসরি নিয়োগ দিবে বলেছে, যতটুকু যাচাই করে জানতে পারলাম সাধারণ মানুষ দেখে টাকা চেয়ে নেয় এবং তাদের সাথে প্রতারণা করে, আমার কাছে চেয়ে ছিলো আমি দেয়নি।
রায়ের বাজারের বাসিন্দারা ভালো করেই জানেন ইনি ব্যবসা দখলসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। এলাকার সবাই এ বিষয়ে অবগত আছেন।
বাইকের নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দিষ্ট দিনে সেখানে গেলে এক নিরাপত্তাকর্মীর পরিচিত ব্যক্তি সিরিয়াল এড়িয়ে ১ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। অতিরিক্ত টাকা দিলে সঙ্গে সঙ্গে প্লেট লাগিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে অফিস খরচ বাবদ চেয়েছে।
বাইকের কাগজপত্র পরিবর্তনের কাজের জন্য তৃতীয় তলায় গেলে চশমা পরা এক ভদ্রলোক আমাকে বারবার নিচতলা ও ওপরতলায় ঘুরান। একপর্যায়ে ওই ভদ্রলোক ও রেকর্ড কিপার মিলে কাজটি দ্রুত করে দেওয়ার বিনিময়ে ২০০০ টাকা দাবি করেন। আমি অসহায় হয়ে শেষ পর্যন্ত ১৮০০ টাকা দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।
খারিজের জন্য টাকা নিয়েছে,,কোনো কাজ ই হয় নি উলটো আমার জমি অন্যজনের নামে খারিজ করে দিয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান / শিক্ষা অফিস · Mirpur, ঢাকা · এখানে ১টি
১ মাস আগে কাছাকাছি
আমি প্রশংসাপত্র নেওয়ার জন্য গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত আমাকে বসিয়ে রাখা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, টাকা হাতে দিলে তবেই প্রশংসাপত্র দেওয়া হবে, না হলে দেওয়া হবে না। আরও জানানো হয়েছে, সার্টিফিকেট কয়েকদিন পরে আসলে সেটি নেওয়ার সময় আবার ৫০০ টাকা দিতে হবে। সত্যায়িত মার্কশিটের জন্যও আলাদা টাকা দিতে...
সম্পূর্ণ দেখুনমোট প্রকাশিত অভিযোগ ১২৫টি
এটি সরকারি কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষ নয়। বিস্তারিত